২৩ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট

বৃহস্পতিবার, ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | ৭:৪৬ অপরাহ্ণ | 375 বার

২৩ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট
সংগৃহিত ছবি

আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে এ তফসিল ঘোষণা করেন।

ভাষণে সিইসি জানান, সংসদ নির্বাচনের মনোনয়পত্র দাখিলের শেষ সময় ১৯ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২২ নভেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ নভেম্বর। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৩ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ ৩০ নভেম্বর।

কেএম নূরুল হুদা বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করছি।

কেএম নূরুল হুদা বলেন, আমরা সংবিধান সমুন্নত রাখার জন্য শপথ নিয়েছি। সংবিধান মোতাবেক ২৮ জানুয়ারি ২০১৯ সালের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

নির্বাচনের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, জাতীয় সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ, আইন সংস্কারসহ মোট সাতটি করণীয় বিষয় স্থির করে ২০১৭ সালে আমরা একটি কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করেছিলাম।

‘সংলাপের মাধ্যমে ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম প্রতিনিধি, নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও নারী-নেত্রী সংগঠনের কাছে কর্ম-পরিকল্পনাটি তুলে ধরেছিলাম। তাদের পরামর্শ এবং সুপারিশ বিচার-বিশ্লেষণ করে করণীয় বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কতিপয় আইন ও বিধির উপর সংশোধন এবং সংসদীয় এলাকার সীমানা পুননির্ধারণ করে গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রায় ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রের বাছাই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৭৫টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন আবেদন নিস্পত্তি করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের সক্ষমতা অর্জন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। প্রথমবারের মতো নির্বাচনী এজেন্টদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা হয়েছে।

জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণের শুরুতেই জাতির পিতাকে স্মরণ করেন হুদা বলেন, আমি স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। একইসঙ্গে সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি অকুতোভয় যেসব বীর সন্তানদের স্বাধীনতার জন্য যারা জীবন দিয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, সম্ভ্রম বিসর্জন দিয়েছেন। স্মরণ করি ৫২’র ভাষাশহীদের, যাদের রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মায়ের ভাষা; অর্জিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

কেএম নূরুল হুদা বলেন, এদেশের মানুষের প্রত্যাশা শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে দেশকে এগিয়ে নিতে, গণতন্ত্রের মজবুত ভিত্তি স্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বের উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সারিতে দাঁড় করাতে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য অর্জনে উন্নত ও গণতন্ত্রকে সমান্তরাল পথ ধরে অগ্রসর হতে হবে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
khojkhobor.net-এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আইটি সাপোর্ট ও ম্যানেজমেন্টঃ Creators IT Bangladesh

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টঃ WebNewsDesign