বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে নেপালের পথে প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট ২০১৮ | ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ | 376 বার

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে নেপালের পথে প্রধানমন্ত্রী

চতুর্থ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দুই দিনের সফরে নেপালের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য- ‘শান্তির, সমৃদ্ধির, টেকসই বে অব বেঙ্গলের লক্ষ্যে’।

বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইট বিজি-১৮৭১-এ নেপালের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী।

স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টার দিকে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজের। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী ঈশ্বর পোখারেল ও নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস।

বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটর শোভাযাত্রা সহযোগে প্রধানমন্ত্রীকে নেওয়া হবে তার সফরকালীন আবাসস্থল হোটেল সোয়ালটি ক্রাউনি প্লাজায়।

সফরে চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলনে যোগদানের সাইড লাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৬টায়।

এর আগে বেলা পৌনে ১২টার দিকে নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১০ মিনিটে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে. পি. শর্মা ওলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে। আর সাড়ে ১০টার দিকে ভুটানের অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে।

দুপুরে বিমসটেক সম্মেলনে আসা রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে নেপালের প্রেসিডেন্টের দেওয়া ভোজে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে হোটেল সোয়ালটি ক্রাউনি প্লাজায় চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলনের উদ্বোধনী সেশনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

রাতে কাঠমান্ডুর হায়াত রিজেন্সি হোটেলে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে. পি. শর্মা ওলির দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।
দুই দিনের সফর শেষে শুক্রবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইট বিজি-১৮৭৪ এ ঢাকার উদ্দেশে কাঠমান্ডু ছাড়ার কথা।

বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সাত দেশের জোট বিমসটেক (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন)। প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে এ জোট গঠিত।

১৯৯৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের এ উদ্যোগের সূচনা হয়। পরে মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান বিমসটেকে যোগ দেয়।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০  
khojkhobor.net-এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আইটি সাপোর্ট ও ম্যানেজমেন্টঃ Creators IT Bangladesh

ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টঃ WebNewsDesign