জনগণের স্বার্থে যখনই প্রয়োজন সেনাবাহিনী পাশে দাঁড়াবে : প্রধানমন্ত্রী

রবিবার, ০৩ মার্চ ২০১৯ | ৭:৫০ অপরাহ্ণ | 422 বার

জনগণের স্বার্থে যখনই প্রয়োজন সেনাবাহিনী পাশে দাঁড়াবে : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহিত ছবি
Advertisements

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের মানুষের সম্পদ ও দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের মূর্ত প্রতীক। তািই জনগণের স্বার্থে যখনই প্রয়োজন হবে তখনই সেনাবাহিনী আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে এটাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।  পবিত্র সংবিধান ও দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আপনাদের সবসময় ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

রোববার (৩ মার্চ) দুপুরে রাজশাহী সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদাতিক বাহিনীর গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘দি ইস্ট বেঙ্গল’ রেজিমেন্টের পাশাপাশি পদাতিক বাহিনীর রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন আমরাই প্রথম অনুভব করি। আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি, স্বাধীন বাংলাদেশ নামে আমাদের একটি রেজিমেন্ট থাকবে। তাই আমি ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্ট গঠনের ব্যাপারে নীতিগত অনুমোদন দেই। ২০০১ সালের ২১ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্টের পতাকা উত্তোলন করি। ২০১১ সালে আমি এই রেজিমেন্টকে মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় পতাকা প্রদান করি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই রেজিমেন্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী প্রতিষ্ঠিত একমাত্র রেজিমেন্ট। বর্তমানে এ রেজিমেন্টে দু’টি প্যারা কমান্ডোসহ মোট ৪৩টি ইউনিট রয়েছে। এ রেজিমেন্টের সদস্যরা দেশ ও দেশের বাইরে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাই দেশের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখার জন্য আপনারা একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

তিনি বলেন, পতাকা হলো জাতির স্বাধীন সার্বভৌমত্ব ও সম্মান এবং মর্যাদার প্রতীক। তাই পতাকার মান রক্ষা সব সৈনিকের কর্তব্য। জাতীয় পতাকা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করা বিরল সম্মান ও গৌরবের বিষয়। আজ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক আপনাদের হাতে তুলে দিয়েছি। এর মান অর্জন করায় আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি। কর্মদক্ষতা ও কঠোর অনুশীলন, কর্তব্য ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে যেই পতাকা আজ আপনারা পেয়েছেন তার মর্যাদা রক্ষার জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে আপনারা সর্বদা প্রস্তুত থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে প্রশিক্ষণ প্রশাসন আবাসনসহ একটি আধুনিক ট্রেনিং সেন্টার হিসেবে গড়ে তুলতে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমান ট্রেনিং অপারেশনের সুবিধা বাড়ানোর আরও কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান, রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মনসুর রহমান, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান, রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি এম খুরশীদ হোসেন, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বজলার রহমান প্রমুখ।

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
khojkhobor.net-এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আইটি সাপোর্ট ও ম্যানেজমেন্টঃ Creators IT Bangladesh