পাবনা-৩

এমপি মকবুলকে মনোনয়ন না দেয়ার দাবিতে গণমিছিল সমাবেশ

শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ৩:০৮ অপরাহ্ণ | 462 বার

এমপি মকবুলকে মনোনয়ন না দেয়ার দাবিতে গণমিছিল সমাবেশ
গণমিছিল
Advertisements

দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, নিয়োগ বাণিজ্যেসহ নানা অভিযোগ এনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ মকবুল হোসেনকে মনোনয়ন না দেয়ার দাবিতে পাবনার চাটমোহরে গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা ফোরামের উদ্যোগে শনিবার দুপুরে স্থানীয় ডাকবাংলো থেকে একটি গণমিছিল বের হয়ে পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

এ সময় মিছিলকারীদের হাতে ছিল ‘চাটমোহর থেকে এমপি প্রার্থী চাই’, ‘মকবুল বাদে প্রার্থী চাই’, ‘চাটমোহরের মানুষ বেঁধেছে জোট, রাজাকারের সন্তান বিদায় হোক’সহ নানা শ্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড।

মিছিল শেষে চাটমোহর জারদিস মোড়ে পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইছাহাক আলী মানিকের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, পাবনা জেলা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুনীল চন্দ্র চন্দ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য হেলাল উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শরিফ উল্লাহ সাচ্চু, আওয়ামীলীগ নেতা এস এম আবদুল ওয়াহেদ, সাহেব আলী মাস্টার, রেজাউল করিম পলাশ, প্রভাষক আব্দুল গণি, ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ বকুল।
Somabesh Pic

এমপি মকবুল হোসেনকে রাজাকারের সন্তান উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, পাবনা-৩ এলাকায় আওয়ামীলীগে কোন্দল সৃষ্টি করেছেন এমপি মকবুলের কারণে। মকবুল এমপির বাবা প্রয়াত হাজী মহসিন হাদল-ডেমরার গণহত্যার অন্যতম সহযোগী এবং পিস কমিটির নেতা ছিলেন বলে অভিযোগ করেন নেতারা। তাই এবারের নির্বাচনে মকবুলকে মনোনয়ন না দেয়ার দাবি জানান তারা।

একইসাথে পাবনা-৩ এর সবচেয়ে বেশি ভোটারের উপজেলা চাটমোহর থেকে নৌকার প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোর দাবি জানান বক্তারা।

এ সময় পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসাহাক আলী মানিক চাটমোহরের আগশোয়াইল গ্রামের কুখ্যাত রাজাকার আবুল হোসেনকে ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের ২০ হাজার টাকা অনুদান চেক দেওয়ার জন্য ধিক্কার জানিয়ে এমপি মকবুলকে ভৎর্সনা করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. মকবুল হোসেনের মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কি করেছি তা এলাকার মানুষ ভাল বলতে পারবে। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, নিয়োগ বাণিজ্যের প্রশ্নই ওঠে না। তারা না জেনে এগুলো বলছে।’

‘রাজাকারের সন্তান’ অভিযোগ এমন বক্তব্যের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর হাতে সই করা রিলিফ কমিটিতে আমার আব্বার নাম ছিল। তখন আমার আব্বা হজ করেননি। এখন যারা এসব বলছে তাদের বয়স কত?  তাদের ওই সময় তো জন্মই হয়নি।’

আগশেয়াইল গ্রামের রাজাকার আবুল হোসেনকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক প্রদানের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এলাকার নেতারা সই-স্বাক্ষর করে আমার কাছে কাগজ পাঠায়। কে রাজাকার, আর কে ভাল মানুষ এটা আমি জানবো কি করে? এটা ওই এলাকার নেতারা ভাল বলতে পারবেন।’

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
khojkhobor.net-এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

আইটি সাপোর্ট ও ম্যানেজমেন্টঃ Creators IT Bangladesh