পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর দিয়ে হবে নতুন রেলসেতু

বৃহস্পতিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ | 193 বার

পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর দিয়ে হবে নতুন রেলসেতু
পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
Advertisements
Share Button

ঝুঁকি এড়াতে শত বছরের ঐতিহ্যবাহি পাবনার হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর দিয়ে নতুন রেলসেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারণ হিসেবে জানা গেছে, বয়সের ভারে দেবে যাচ্ছে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। বর্তমানে রেলসেতুটি ঝুঁকিতে রয়েছে। আর সেই ঝুঁকি এড়াতে কম সময়ের মধ্যে নতুন করে রেলসেতু নির্মাণ করা হবে।

২৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। কারিগরি সহায়তা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরই রেলসেতু নির্মাণের মূল প্রকল্প নেওয়া হবে। নতুন রেলসেতু নির্মাণের জন্য বিশদ নকশাসহ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সাউথ এশিয়া সাব-রিজিওনাল ইকোনোমিক কো-অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে ১৮০ কোটি ৫০ লাখ টাকা ঋণ দেবে এডিবি।

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী রেলওয়ে স্টেশনের কাছাকাছি ওই সেতুটি পাবনা ও কুষ্টিয়া জেলাকে সংযুক্ত করেছে। নতুন রেলসেতুর অবস্থান ও দৈর্ঘ্য একই হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর দিয়ে নতুন রেলসেতু নির্মাণের জন্য সমীক্ষা প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে প্রকল্পের ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়।

‘টেকনিক্যাল এসিসটেন্স (টিএ) ফর রেলওয়ে কানেকটিভিটি ইম্প্রুভমেন্ট প্রিপারেটরি ফ্যাসিলিটিটি (আরসিআইপিএফ) প্রজেক্টের আওতায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সুবিধাদি প্রস্তুতিমূলক কারিগরি সহায়তা প্রকল্প এটি।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, হার্ডিঞ্জ ব্রিজের বয়স ১০০ বছর পেরিয়ে গেছে। বয়সের ভারে সেতুটি বসে যাচ্ছে। তাই দ্রæত সময়ের মধ্যে এই সেতুর উপর দিয়ে নতুন রেলসেতু নির্মাণ করবো। রেলসেতুটি নির্মাণের আগেই আমরা সম্ভাব্যতা যাচাই করবো।

তিনি বলেন, আমরা রেলপথে কোনো ঝুঁকি নিতে চাই না। বিদ্যমান হার্ডিঞ্জ ব্রিজকে যত দ্রæত মুক্ত করতে পারবো ততই মঙ্গল। বিদ্যমান সেতুর উপর দিয়েই নতুন রেলসেতু হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য রেলওয়ের জমি সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়েছে। তবে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর দিয়ে নতুন রেলসেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি রেখে দেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান হার্ডিঞ্জ ব্রিজের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৭৯৮.৩২ মিটার বা ৫৮৯৪ফুট বা ১.৮ কিমি। নতুন রেলসেতুর দৈর্ঘ্যও একই হবে। উপর দুটি ব্রড-গেজ রেললাইন নির্মাণ করা হবে।

বর্তমান সেতুটির নির্মাণকাল ১৯০৯-১৯১৫। শতবছর পেরিয়ে গেছে রেলসেতুটির আয়ুষ্কাল। বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ রেলসেতু হিসেবে পরিচিত এটি।

Advertisements
Share Button

মন্তব্য করতে পারেন...

comments

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
খোঁজখবর.নেট এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Development by: webnewsdesign.com

error: Content is protected !!